শেখ সাদীর একটি না’ত :

বালাগাল-উলা বিকামালিহী
কাশাফাদ্ দূজা বিজামালিহী
হাসুনাত জামীউ খেসালিহী
সাল্লু আলাইহি ওয়া আলিহী

শেখ সাদীর এই না’ত সম্বন্ধে এরুপ একটি প্রবাদ রয়েছে :

না’তের তিনটে চরণ তো তিনি সঙ্গে সঙ্গেই রচনা করে ফেলেছিলেন। কিন্তু চতুর্থ চরণ একাধারে তিন রাত, তিন দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও যখন তিনি কিছুতেই রচনা করতে সক্ষম হলেন না, তখন তাঁর অবস্থা ঠিক একটা বদ্ধ পাগলের মত হয়ে গেল। চিন্তা-ভাবনায় তাঁর চোখে ঘুমের নামটি পর্যন্ত ছিলোনা। প্রায় মাথা খারাপ অবস্থার মধ্যে চতুর্থদিন পেরিয়ে আসতেই হঠাৎ তাঁর চোখে ঘুম নেমে আসে। আর ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখতে পেলেন-সাদীর সম্মুখে সশরীরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন স্বয়ং নবী সম্রাট রাসূলে খোদা হযরত মুহাম্মদ (স.)
তিনি জিঙ্গেস করলেন : কি ভাবছো?
সাদী বললেন : ভাবছি … আপনার ওপর একটা না’ত লিখতে গিয়ে শেষ লাইনটিতে এমনি আটকা পড়ে গেছি যে, কিছুতেই আর চতুর্থ লাইনটি পূরণ করতে বা মেলাতে পারছিনা।
নবীজী শুনতে চাইলেন এবং সাদী শোনালেন তাঁর তিনটে চরণ।
নবীজী জানালেন চতুর্থ লাইন পূরণ করো : সাল্লু আলাইহি ওয়া আলিহী দিয়ে।
সাদীর ঘুম ভেঙে গেলো। এবং সঙ্গে সঙ্গেই তিনি চতুর্থ চরণ লিখে ফেললেন।


পূর্ণ হয়ে গেলো গোটা বিশ্বের মুসলিম কন্ঠে ধ্বনিত জগত-বিখ্যাত অমর এই না’ত।

প্রবাদটির তথ্য সূত্র : ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত সীরাতুন্নবী (স.) ১৪১৬ উপলক্ষে অগ্রপথিক।