bb2ছোট্ট একটি গল্পকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তোলাটাই হচ্ছে মুন্সিয়ানার পরিচয়। বাহুবলি ও বজরঙ্গি ভাইজান সিনেমার বেলাতেও হয়েছে তাই!

দুই ভাইয়ের মধ্যে শত্রুতা ও প্রতিশোধের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে বাহুবলি আর ছোট্ট একটি বোবা মেয়েকে তার বাবা-মার কাছে ফেরত পাঠানোর গল্প উঠে এসেছে বজরঙ্গি ভাইজানে। ছবি দুটিতে এর বাইরে আর কোনো গল্প নাই! যা আছে সব পরিচালকের কেরামতি!

বাহুবলি তৈরি করেছেন এসএস রাজামৌলি। যিনি এর আগে মাগাধিরা আর মাক্ষি তৈরি করে ফাটিয়ে দিয়েছিলেন। আর বজরঙ্গি ভাইজান তৈরি করেছেন কবির খান। যিনিও এর আগে এক থা টাইগার ও নিউইয়র্ক তৈরি করে ফাটিয়ে দিয়েছিলেন।

দুই ছবির দুইজন পরিচালক হলেও তবে একটা জায়গায় কিন্তু একসূত্রে গাঁথা। দুটি ছবিরই চিত্রনাট্য লিখেছেন কেভি বিজেন্দ্র প্রসাদ। এই বিজেন্দ্র প্রসাদ লোকটা আরেক ইতিহাস। মাগাধিরা, রাউডি রাঠোর, ছত্রাপতি, রাজানা, আরপারের মতো অসংখ্য হিটছবির চিত্রনাট্যও তার লেখা!

অনেক প্রতীক্ষার পর ছবি দুটি দেখলাম। এক কথায় অসাধারণ।

বাহুবলির প্রভাস, রানা আর তামান্নার কথা নাইবা বল্লাম! কাত্তাপ্পা চরিত্রে সত্যারাজের কথা না বল্লেই নয়। এই লোকটির থালাইবা সিনেমা দেখে তার ভক্ত হয়েছিলাম। সিরিয়াস টাইপের অভিনেতা। আমাদের দেশের যেমন ছিলেন হুমায়ুন ফরিদি! চরিত্রের মধ্যে ঢুকতে যা করা দরকার সেটা তিনি করবেনই! চরম অভিনয় ক্ষমতা তার। বাহুবলিতে তিনি সিংহাসনের গোলাম!

বজরঙ্গি ভাইজানের সালমান খান, কারিনা কাপুর খান আর নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর কথা নাইবা বল্লাম! তবে ছয় বছরের ওই পিচ্চি বোবা মেয়েটার কথা না বল্লেই নয়! এক্কেবারে বোমা ফাটিয়ে দিয়েছে। কী কিউটরে বাব্বা! হারশালি মালোহোত্রা ছয় বছরেই ছক্কা পিটিয়েছে এক্কেবারে।

বজরঙ্গি ভাইজানের আরেকটি বিষয় হলো- সোশাল মিডিয়ার পাওয়ার! সাংবাদিক নওয়াজউদ্দিনের একটি ভিডিওক্লিপ সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ঝড় তুলে! সোশাল মিডিয়া যে দেশ, জাত, পাতের উর্ধের একটা বিষয় সেটা ক্লিয়ার করে দিয়েছে বজরঙ্গি ভাইজানে!