কিছু কিছু নাম্বার থেকে আর আসবেনা কোন ফোন
কিছু কিছু এসএমএস পড়ে আর হাসবে না এ মন।
কোন কোন ঠিকানায় লিখবোনা আর কোন চিঠি
কোন কোন গলিতে করবে না মন হাটা হাঁটি।

খুঁজবো না আমি, খুঁজবেনা মন, খুঁজবেনা এই চারপাশ
কখনো রঙিন, কখনো ধূসর, কখনো নীল আকাশ।
জেনেছি আমি, জেনেছে এ মন, জেনেছে এ চারপাশ
যাবেনা ফিরানো তবু ফিরানো, মিলছে আশ্বাস।
অনেক আড্ডায়, অনেক হাঁসিতে, হয়না খোঁজা সেই মুখ
হারানোর বেদনায় পিছু ফেলে সমসাময়িক সুখ।
অনেক একায় অনেক ভীরে তোকেই খুঁজে ফিরি
একটু দাঁরা আসছি আমি, না হয় হচ্ছে একটু দেরি।

তরুনের কণ্ঠের এই গানটি শুনলেই কেনো যেনো আমি হারিয়ে যাই অতীতে। কতগুলো মুখ ভেসে ওঠে মনের মনিটরে স্পষ্ট। ….

…. খুব, খুব মিস করি ইস্রাফিল তোকে, একটি ঝড়ের বিকেলে চারতলার ছাদ থেকে তোর মাথায় ইট পড়ার সেই দৃশ্য ভুলতে পারি না। …

…. মন থেকে সরাতে পারিনারে মনোয়ার তোর সেই রক্তাক্ত সাদা শার্টের কথা। নবীন সিনেমার সামনে কিভাবে টলতে ছিলি বিষাক্ত ইনজেকশনের জ্বালায়- তা এখনো মনে হয় দেখছি! …

…. আর কি সেই উথলীর গোডাউন রোডে সেই আড্ডাটা হবে! মিজান, কেনো সেদিন অফিসে গেলি! আফসোস হয়। …

…. উথলী হাসপাতালে গেলেই মনে হয় খোকনের আম্মা ডাকছে আমায়। সেই সাদা কাপড়ে ঢাকা ফেরেশতার মুখ ভেসে উঠে মনে। …

…. শাজাহান ভাই, খুব ফিল করি, আবার যদি পেতাম একটা ফোন! আদরের সুরে ‌’কিরে মস্তান! কি খবর?’ …

…. বড় ফুপু, তোমাকে মাটির ঘরে শোয়ানোর দৃশ্য কি করে ভুলবো বলো! বুক ফেটে যাওয়া হাহাকারটা রয়েই গেছে। চিৎকার করে কাঁদতে পারি নি। …

…. খুব খুব খারাপ লাগে বাবা তোমার জন্য। বাবা, তোমার শেষ কথাটা আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। বড় ভাইয়া কতবার বলেছিলো-বাবা আর একবার বলো, তুমি সেই যে চুপ হলে। আমাদের আর শোনা হয়নি তোমার সেই কথা। এখন আর কেউ আমাকে শাসন করে না বাবা! আমার কোলে তোমার শেষ মাথা রাখার সেই দৃশ্যগুলো, হাসপাতালে ছুটোছু্টি করা, সারা রাত জেগে থাকা, এগুলো কখনোই ভুলতে পারি না, কখনো না, কখনো না। ….