পোস্টগুলি

দূষণের শুরু আমাদের ঘর থেকেই

  পরিবেশ দূষণের কথা উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ধোঁয়ায় ভরা ঢাকা শহর, ময়লায় ভরা ড্রেন, দূষিত নদী, কেটে ফেলা বন আর জলাশয়ে জমে থাকা প্লাস্টিকের স্তূপের দৃশ্য। এসব দৃশ্য আমাদের ব্যথিত করে। আমরা প্রতিবাদ করি, সভা করি, সেমিনারে কথা বলি, মানববন্ধনে দাঁড়াই। কিন্তু খুব সহজ একটি সত্য আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। পরিবেশ দূষণের বড় একটি অংশ শুরু হচ্ছে আমাদের ঘর থেকেই। ঘরের ভেতরের বাতাস, রান্নার ধোঁয়া, রাসায়নিকযুক্ত ক্লিনার, সুগন্ধি, প্লাস্টিকের পাত্র, একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিন, খাবারের মোড়ক, পুরোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী, সবই পরিবেশ দূষণের সঙ্গে যুক্ত। বাইরের দূষণ আমরা চোখে দেখি বলে তা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হই। কিন্তু ঘরের ভেতরের দূষণ চোখে কম পড়ে বলে সেটিকে গুরুত্ব দিই না। অথচ প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসই ধীরে ধীরে আমাদের ঘর, সমাজ ও প্রকৃতিকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই প্লাস্টিকের সঙ্গে আমাদের দিনের শুরু। টুথব্রাশ, টুথপেস্টের টিউব, শ্যাম্পুর বোতল, সাবান ও প্রসাধনীর মোড়ক, চিরুনি, রেজর, লোশন বা ক্রিমের প্যাকেট, সব জায়গায় প্লাস্টিক। রান্নাঘরেও একই চিত্র। কোমল পানীয়ের বোতল, খাবারের প্যাকে...

একটি সাইকেল, বহু জীবনের গল্প

ফ্রিজ ভরে, মন ভরে না

আমরা সবাই ভালো মানুষ, যতক্ষণ সুযোগ না আসে

ঘামের গন্ধ ও আমাদের নীরব যন্ত্রণা

নেতার ডান হাত আসলে কয়জন?

হাজার আলোর ভিড়ে একা

যে মাটি ছেড়ে যায়, সে মাটিই তাকে ডাকে

প্যাডেলে ঘাম, ব্যাটারিতে হাওয়া

হাসির ফিল্টারে ঢাকা মুখ

যে জিনিস মরে না, সে জিনিস মারে

লুঙ্গির ভিতরেই আমার শহর-দুনিয়া

খেলনা হেলমেট আর বেপরোয়া গতি, বাইক দুর্ঘটনার নির্মম বাস্তবতা

পুনরায় ভর্তি ফি বন্ধ, তবু স্বস্তি কি মিলবে?

ভোট দেবেন কাকে?

দরকারের সময়েই কেন ভাড়া বাড়ে